কাঁচা হলুদ এবং মধু খেলে অকল্পনীয় যে উপকার পাবেন !

83

কাঁচা হলুদ এবং মধু খেলে- কাঁচা হলুদের গুণাবলী সম্পর্কে অনেকেই অবহিত। আয়ুর্বেদেও হলুদের উপকারিতার উল্লেখ রয়েছে।

যে কোনও রকমের ইনফেকশন হলে কাঁচা হলুদের জুড়ি মেলা ভার। ত্বকের সমস্যা, লিভারের সমস্যা, পেশীর সমস্যা, কাটাছেঁড়ার জন্যও হলুদ উপকারী।

এ ছাড়া হলুদের মধ্যে এমন উপাদান থাকে যার ফলে গ্যাসট্রিক, পেপটিক এবং গ্যাসট্রিক আলসার ইত্যাদির জন্যও উপকারী। অ্যালঝাইমারস-এর জন্যও কাঁচা হলুদ উপকারী।

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চিকিৎসকরা প্রতিদিন কাঁচা হলুদ খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

কাঁচা হলুদ খাওয়ার একটি পদ্ধতিও বর্ণনা করেছেন।

এক টেবিল চামচ কাঁচা হলুদ গুঁড়ো এবং ১০০ গ্রাম মধু নিন। দুটোকে ভাল করে মিশিয়ে নিন।

প্রতিবেদনটি থেকে জানা গিয়েছে, ফ্লু, জ্বর, সর্দি-কাশি হলে এই মিশ্রণ এক ঘণ্টা অন্তর অন্তর খান। দ্বিতীয় দিন দু’ঘণ্টা অন্তর খান।

রোজ অন্তত দু’বার হলুদ-মধু খেলে উল্লিখিত রোগগুলির থেকে রেহাই পাওয়া যাবে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন এই মিশ্রণ অ্যান্টি বায়োটিকের কাজ করে।

ভূড়ি, পেটের চর্বি কমাতে যা খাবেন…

কোলেস্টেরল, উচ্চ রক্তচাপ, হার্টের অসুখের মতো সমস্যার সূত্রপাত এখান থেকেই হতে পারে। চিকিৎসকেরাও তাই প্রতিনিয়ত ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার পরামর্শ দেন। কিন্তু সময়ের অভাবে নিয়মিত ডায়েট বা শরীরচর্চার সুযোগ হয়ে ওঠে না অনেকেরই।

অনেকে আবার ওজন কমানোর নেশায় পড়ে, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়াই লোকমুখে প্রচলিত কিছু ডায়েট মানতে যান, আর তাতেই বিপদ বাড়ে। অনেকেই ওজন কমানোর জন্য কলা খাওয়া ছেড়ে দেন। কিন্তু কলার ফসফরাস পেশী গঠনে অত্যন্ত কার্যকর একটি ফল। তাই এই ভুল ধারণা বাদ দিতে হবে। বরং দেখা গিয়েছে, শরীরের বিপাকহার বাড়িয়ে চর্বি কমাতে পারে কলার স্মুদি।

সহজলভ্য কিছু উপকরণ কলার সঙ্গে মিশিয়ে বানানো এই স্মুদি প্রতিদিন নিয়ম করে খেলে পেটের চর্বি কমে দ্রুত। চলুন জেনে নেই কীভাবে বানাবেন এই স্মুদি-

একটি পাকা কলা, অর্ধেক চা চামচ আদার গুঁড়া, আধ কাপ লো ফ্যাট টক দই, ২ টেবিল চামচ প্রোটিন পাউডার, দুই চামচ ফ্লাক্স সিড ও সামান্য নারিকেল তেল নিন। এবার সব ক’টি উপাদান একসঙ্গে মিশিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। প্রতিদিন সকালের নাস্তায় এই স্মুদি রাখুন। সঙ্গে লো ফ্যাট বা প্রোটিনযুক্ত ব্রেকফাস্ট করুন।

সকালে না পারলে বিকেলে ফল খাওয়ার সময়ও এই স্মুদি খেতে পারেন। পেশী গঠনের সঙ্গে শরীরের কঠিন ফ্যাট গলিয়ে দিতে সক্ষম কলা। সুতরাং অন্য কোনো অসুখের জন্য কলা খাওয়ার নিষেধাজ্ঞা না থাকলে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী আপনার ডায়েটে রাখতেই পারেন এই স্মুদি।