জেলা পরিষদের ডাকবাংলোয় নারী ও মাদকসহ সহ প্যানেল চেয়ারম্যান আটক !

124

নারীসহ প্যানেল চেয়ারম্যান- দিনাজপুরে নারী, মা’দ’ক’স’হ জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সফিকুর রহমান নেতাকে (৪৮) গ্রেপ্তার করেছে কোতোয়ালি থানা পুলিশ।

এ সময় তাঁর সঙ্গে জেলা পরিষদের এক সদস্য, দুই নারীসহ আরো পাঁচজনকে গ্রে’প্তা’র করা হয়। আজ রবিবার বিকেলে গ্রে’প্তা’রকৃত ছয়জনকে কোর্টে চালান দেওয়া হয়।

গতকাল শনিবার রাত ৮টায় দিনাজপুর জেলা পরিষদের ভিআইপি ডাকবাংলো থেকে তাদের গ্রে’প্তার করা হয়। গ্রেপ্তার প্যানেল চেয়ারম্যান সফিকুর রহমান পার্বতীপুর উপজেলার নতুন বাজার এলাকার মৃ’ত দেলোয়ার হোসেনের ছেলে ও জেলা পরিষদের ১০নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য।

অভিযানে গ্রে’প্তা’রকৃত অন্য তিনজন হলেন- জেলা পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও চিরিরবন্দর উপজেলার থানাপাড়ার জালাল উদ্দিন সরকারের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান (৪৬)।

চিরিরবন্দর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউপির ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও মহাদানীপুর গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে মহির উদ্দিন কাশেম (৩৩) এবং চিরিরবন্দর উপজেলার বাসুদেবপুর গ্রামের আব্দুল মজিদ সরকারের ছেলে জাহেদুল সরকার (৩৬)। 

দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফ্ফর হোসেন জানান, শনিবার রাত ৮টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মো. আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে একটি অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান চলাকালে দিনাজপুর জেলা পরিষদের ভিআইপি ডাকবাংলোর দ্বিতীয় তলার একটি রুম থেকে মা’দ’ক’দ্র’ব্য, ২ নারীসহ তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় সাত বোতল ফেনসিডিল, পাঁচটি খালি ম’দে’র বোতল, ই’য়া’বা সেবনের উপকরণ ও গ্যাস লাইট উদ্ধার করা হয়। 

দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (এসআই) জাহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে মা’দ’ক সেবন ও মা’দ’ক’দ্রব্য রাখার অভিযোগে আটক প্যানেল চেয়ারম্যান সফিকুর রহমান, সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান, ইউপি মেম্বার মহির উদ্দিন কাশেম এবং জাহেদুল সরকারের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

এ ছাড়া অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত থাকায় দুই নারীসহ গ্রেপ্তারকৃত ছয়জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ফাঁদে ফেলে অনার্স পড়ুয়া ছাত্রীকে ধ’র্ষ’ণ !

প্র’তা’রণার ফাঁ’দে ফেলে অনার্স পড়ুয়া এক ছাত্রীকে জোরপূর্বক ধ’র্ষ’ণে’র ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ধ’র্ষ’ণ’কা’রী ওই ব’খা’টে যুবককে আটক করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ। ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার একটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

রোববার (০৯ আগস্ট) সকালে ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে সদরপুর থানায় ধ’র্ষ’ণ মামলা করেন। দুপুরে অভিযান চালিয়ে ওই ধ’র্ষ’ণ’কা’রী বখাটে যুবককে আটক করে পুলিশ।

জানা যায়, সদরপুর উপজেলার আকোটেরচর ইউনিয়নের বাসিন্দা অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রীর সঙ্গে একই ইউনিয়নের সোরহাব মোল্যার ছেলে মো. ইব্রাহীম মোল্যা (২২) বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সখ্যতা গড়ে তোলে। একপর্যায়ে কয়েকদিন আগে প্র’তা’রণার ফাঁ’দে ফেলে ওই ছাত্রীকে জোরপূর্বক ধ’র্ষ’ণ করে ইব্রাহীম।

ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকার একটি প্রভাবশালী মহল ছাত্রীর বাবাকে আপস মীমাংসার জন্য চাপ প্রয়োগ করতে থাকেন। ভ’য়ভীতি উপেক্ষা করে বিচার পেতে ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে সদরপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

সদরপুর থানা পুলিশের পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল খায়ের সেক জানান, অনার্স পড়ুয়া ছাত্রীকে ধ’র্ষ’ণে’র ঘটনায় ইব্রাহীমকে আটক করা হয়েছে। আটক ইব্রাহীমকে ফরিদপুর আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ওই ছাত্রীকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে ইব্রাহীমের পরিবারের সদস্যদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া সম্ভব হয়নি।