সাপের ছো’ব’ল খেয়েও মসজিদে ফজরের নামাজ পড়ান ইমাম !

249

মসজিদে যাওয়ার পথে সাপ- ফজরের নামাজ পড়তে গিয়ে সাপের ছো’ব’ল খেয়েও মসজিদে দিলেন আজান। এরপর ইমামতিও করলেন। এক পর্যায়ে সাপের দং’শ’ন য’ন্ত্র’ণা’য় অস্তির ইমাম নামাজের পরপরই লুটিয়ে পড়লেন জায়নামাজে।

সোমবার নওগাঁর আত্রাইয়ের আহসানগঞ্জ ইউপির দীঘা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। 

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার দীঘা দক্ষিণপাড়া জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ আব্দুর রশিদ সোমবার ভোরে ফজরের নামাজের জন্য বাড়ি থেকে মসজিদে যাওয়ার পথে তাকে সাপ দং’শ’ন করে।

তিনি ওই অবস্থায় মসজিদে গিয়ে আজান দেন এবং ফজরের নামাজ পড়ান। নামাজের পর তিনি সাপের বি’ষ ক্রিয়ায় আ’ক্রা’ন্ত হয়ে ঢলে পড়ে যান।

তাৎক্ষণিকভাবে মসজিদের মুসল্লিরা তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে চিকিৎসক তাকে মৃ’ত ঘোষণা করেন।

হাফেজ আব্দুর রশিদ একই গ্রামের মফিজ উদ্দিন মণ্ডলের ছেলে।

বয়স কোনই বাধা নয়, প্রমাণ দিলেন সোহেল তাজ

বাংলাদেশের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজ। তার আরেক পরিচয় তিনি বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদের সর্বকনিষ্ঠ সন্তান। তিনি মন্ত্রীত্ব ছেড়ে দেশের বাইরে চলে গিয়েছিলেন। পরে দেশে ফিরে আসেন তিনি।

সম্প্রতি যুবাদের নিয়ে কাজ করছেন সোহেল তাজ। টেলিভিশন শো করে তিনি যুবকদের সমসাময়িক অবস্থা জানতে চেয়েছেন।

এরমধ্যেই তিনি শরীরচর্চায় মনোযোগী হয়েছেন। বয়সে তরুণ না হলেও বয়স যে তারুণ্যের পথের কোন বাধা হতে পারে না তা তিনি অক্ষরে অক্ষরে প্রমাণ করেছেন।

সোহেল তাজ তার ফেসবুক পেইজে একটি ছবি পোস্ট করার পরেই এ কথাটি যেন আরো সত্য হয়ে ফুটে উঠলো।

ছবিটি ইতোমধ্যেই সাড়া ফেলেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ছবিটিতে তার ফিটনেসের অনন্য এক রূপ ধরা পড়েছে।

তবে সোহেল তাজ শর্ত দিয়ে দিয়েছেন ‘নো ড্রা’গ’স’ অর্থাৎ মা’দ’ক নয়। মা’দ’ক’কে না বলো এবং ফিটনেসকে হ্যাঁ।’

শুধু তাই নয়, কিছু তরুণ প্রাণকে সোহেল তাজ নিজের এই ফিটনেসের রহস্য শেখাবেন। তিনি আবেদন করতে বলেছেন, এর মধ্যে সীমিত সংখ্যক তরুণকে বাছাই করে নেবেন সোহেল তাজ।

সোহেল তাজ গাজীপুর জেলার অন্তর্গত কাপাসিয়ার দরদরিয়া গ্রামে ১৯৭০ সালের ৫ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা তাজউদ্দীন আহমদ ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ও স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম নেতা।

মা সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দীন ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য। ৪ ভাই বোনের মধ্যে তানজিম সবার ছোট।

বড় বোনে শারমিন আহমদ রিপি; মেজো বোন বিশিষ্ট লেখিকা ও কলামিস্ট এবং গাজীপুর-৪ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য সিমিন হোসেন রিমি এবং ছোট বোন মাহজাবিন আহমদ মিমি।