চট্টগ্রামে ট্রেনের ধাক্কায় মাইক্রোবাসের ১২ যাত্রী নিহত

চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে ট্রেন ও মাইক্রোবাসের ভয়াবহ সংঘর্ষে অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম, পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।

শুক্রবার (২৯ জুলাই) বেলা দেড়টার দিকে উপজেলার বড়তাকিয়া রেল স্টেশনে মহানগর প্রভাতি ট্রেনের সঙ্গে পর্যটকবাহী মাইক্রোবাসের এ সং’ঘ’র্ষের ঘটনা ঘটে।

নিহতরা সবাই খৈয়াছড়া ঝরণা দেখতে যাচ্ছিল বলে পুলিশ জানায়।

মিরসরাইয়ের ইউএনও মিনহাজুর রহমান জানান, হাটহাজারী থেকে আসা ওই মাইক্রোবাসে মোট ১৪ জন ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মিরসরাইয়ের খৈয়াছড়া ঝর্ণা এলাকায় রাস্তা পার হওয়ার সময়ে মাইক্রোবাসকে ধাক্কা দেয় চট্টগ্রাম অভিমুখী একটি ট্রেন।

ট্রেনটি ওই মাইক্রোবাসকে ধাক্কা দিয়ে প্রায় এক কিলোমিটার সামনে নিয়ে যায়। ট্রেনটি বর্তমানে মিরসরাইয়ে আটকে আছে বলে জানা গেছে।

মীরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “পর্যটকবাহী একটি মাইক্রোবাসের সঙ্গে প্রভাতি ট্রেনের সং’ঘ’র্ষে বেশ কয়েকজন নি’হ’ত হয়েছেন। তবে বিস্তারিত এখনও জানি না।”

দু’র্ঘ’ট’না’য় নিহতরা খৈয়াছড়া ঝর্ণা দেখে ফেরার পথে তাদের মাইক্রোবাসের সঙ্গে ট্রেনের সং’ঘ’র্ষ হয়। এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রামের রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন বলেন, “খৈয়াছড়া এলাকায় একটি ট্রেনের ধাক্কায় মাইক্রোবাসের কয়েকজন যাত্রী নিহত হয়েছেন।”

রেল কর্মকর্তা আনসার আলী বলেন, “ট্রেন আসায় গেইটম্যান সাদ্দাম বাঁশ ফেলেছিলেন। কিন্তু মাইক্রোবাসটি বাঁশ ঠেলে ক্রসিংয়ে উঠে পড়ে।”

ট্রেন দুর্ঘটনায় সেই গেটম্যান আটক

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বড়তাকিয়া রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় ট্রেনের ধাক্কায় মাইক্রোবাসের ১১ যাত্রী নিহতের ঘটনায় গেটম্যান সাদ্দাম হোসেনকে আটক করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (২৯ জুলাই) সন্ধ্যা ছয়টার দিকে বড়তাকিয়া এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়।

গেটম্যানকে আটক করার বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজিম উদ্দিন।

তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে না থাকার অভিযোগে তাকে আটক করা হয়েছে। ওই ঘটনায় মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।