সোনার দোকানে ডাকাতি: নামাজে বসেই সংকেত দেন আলাউদ্দিন

সোনার দোকানের মালিকের সঙ্গে মসজিদে জুমার নামাজ পড়ে এক ডাকাত। তার পাঠানো মোবাইলে ক্ষুদে বার্তা পেয়ে বাকিরা শুরু করে দোকানের তালা ভাঙা।

রাজধানীর রূপনগরের রজনীগন্ধা মার্কেটে প্রায় ১০০ ভরি সোনা ও রুপার অলংকার ডাকাতির ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতারের পর এ তথ্য জানিয়েছে পুলিশ।

২৯ জুলাই (শুক্রবার) দুপুর ১টা ৪৫ মিনিট। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ডাকাতির উদ্দেশ্যে রাজধানীর রূপনগরের রজনীগন্ধা মার্কেটের নিউ বিসমিল্লাহ জুয়েলার্সের সামনে জড়ো হয় ৫ জন।

একজনের লুঙ্গির আড়ালে দোকানের তালা ভাঙার চেষ্টা করে দুজন। মার্কেটে ঢোকার পথে নজর রাখে বাকিরা।



দোকান মালিকের সঙ্গে মসজিদে জুমার নামাজ পড়ে ডাকাত দলের অন্য সদস্য আলাউদ্দিন। দোকান মালিক আফজাল হোসেনের গতিবিধি দেখে মোবাইলে এসএমএসে সবুজ সংকেত পাঠানোর পরই সাঁটারের তালা ভাঙে অন্যরা।

দোকানে থাকা চল্লিশ ভরি সোনা ও পঞ্চাশ ভরি রূপার বিভিন্ন গহনা চুরি করে সটকে পড়েন তারা।



এ ঘটনায় দোকান মালিক বাদী হয়ে রূপনগর থানায় মামলা করলে শুরু হয় তদন্ত। আশপাশের একাধিক সিসিটিভি ফুটেজ পর্যাবেক্ষণ করে জড়িতদের শনাক্ত করে পুলিশ।

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানার স্বর্ণারটেক গ্রাম থেকে আলাউদ্দিন ও কুমিল্লা থেকে চোরাই সোনার ক্রেতা আরেক জুয়েলার্সের মালিক শাহজালালকে ডাকাতির ১৬ ভরি সোনাসহ গ্রেফতার করা হয়।



ডিএমপি মিরপুর জোনের উপকমিশনার মো. জসীম উদ্দীন মোল্লা বলেন, তদন্তের প্রক্রিয়া আছে। সেই কৌশল অবলম্বন করে আলাউদ্দিন নামে এক চোরকে গ্রেফতার করি।

তাকে জিজ্ঞাসাবাদে তার দেয়া তথ্য মতে সোনাগুলো উদ্ধার করা হয়। চোরাই সোনা কেনার অপরাধে ওই দোকানদারকেও গ্রেফতার করেছি।  



পুলিশ জানায়, ঘটনার সাতদিন আগে জুয়েলার্সটিতে ক্রেতার ছদ্মবেশে ঢুকে রেকি করে আলাউদ্দিন। ডাকাতির জন্য শুক্রবার জুমার নামাজের সময় বেছে নেয় চক্রটি।

আলাউদ্দিনের নামে একাধিক চুরির মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে চলছে অভিযান।